Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বিজ্ঞান vs ধর্ম


 🔵স্রষ্টার-সৃষ্টি নেই, মৃত্যু নেই (ধর্ম)।


🔵শক্তি সৃষ্টি হয়না, ধ্বংসও হয়না (বিজ্ঞান)।

◾একটি মানলে, অপরটি না মানার কারণ কী ?
◾ডাবল স্ট্যান্ডার্ড কেন ?

বিজ্ঞানের অপব্যবহারের কারণে--বিজ্ঞানমহলকে বস্তুবাদীরা বিজ্ঞানীরা এতোটাই চেপে ধরে আছে যে, যখনই তারা এমন কোনো বিজ্ঞানীর নাম শুনে--যিনি বুদ্ধিমান সত্ত্বার মাধ্যমে মহাবিশ্বের শুরু হবার কথা বলেন, তখন নাক সিঁটকিয়ে বলে--

“উহু, Creationist কীভাবে আবার সাইন্টিস্ট হয় ?”

(বঙ্গ-নাস্তিকরা-রঙ্গ করে যেমনটি বলে—“আরে ! মোল্লা আবার বিজ্ঞানের কী বুঝে, হুঁহ ?”)

বিবর্তনবাদীদের একসময়ের নেতা জুলিয়ান হাক্সলি-কে এক টকশোতে মার্ভ গ্রিফিন জিজ্ঞেস করেছিলন--

 “Why do people believe in evolution ?”

তিনি উত্তরে বলেছিলেন--
 “The reason we accepted Darwinism even without proof, is because we didn’t want God to interfere with our sexual mores.”

অর্থাৎ, “প্রমাণাদি ছাড়াই বিবর্তনবাদকে আমরা মেনে নিয়েছি কারণ- আমরা চাই না যে, স্রষ্টা আমাদের যৌন আচার-আচরণের [স্বাধীনতায়] নাক গলাক।”

বিবর্তনবাদ তথা নাস্তিকতা প্রতিষ্ঠার একটি গূরুত্বপূর্ণ মানে—'অবাধ যৌনাচারের সার্টিফিকেট'। 

একসময়ের তুখোড় নাস্তিক লি স্ট্রোবেল তার Case For Faith বইতে লিখেছেন--

“I was more than happy to latch onto Darwinism as an excuse to jettison the idea of God so I could unabashedly pursue my own agenda in life without moral constraints.”

অর্থাৎ - “ঈশ্বরের ধারণা থেকে পালানোর অজুহাত হিসেবে ডারউইনিজমের আশ্রয় নিয়ে আমি প্রচণ্ড খুশি হয়েছিলাম, কারণ এর ফলে নৈতিক বাধ্যবাধকতার তোয়াক্কা না করে আমি নিজের জীবনের খায়েশগুলো অকুণ্ঠচিত্তে পূরণ করতে পারবো।”

বিবর্তনবাদ মেনে নিয়ে স্রষ্টাকে জীবন থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দেওয়ার নেপথ্য কারণ ছিলো—মরাল ভ্যালু যেন তার জীবনে বাঁধা হয়ে না দাঁড়াতে পারে।
 (অর্থাৎ, বস্তুবাদ মেনে নিলে আপনি যেমন খুশি, তেমন জীবন উপভোগ করতে পারবেন।)

বিজ্ঞানীদের অধিকাংশেরই "বিজ্ঞান একাডেমি"-তে তাদের নিজের মত প্রকাশের কোন স্বাধীনতা নেই।
তাদেরকে উপরের মহল থেকে সবসময় একটা চাপে রাখা হয়--তাই, সেসব বিজ্ঞানীরা চাইলেও তারা নিজের চাকুরি, সম্মান, পদমর্যাদা হারানোর ভয়ের কারণে বলতে পারে না--“I do believe in God...”

এটি কি শুধু "বিজ্ঞান একেডেমির"-র দৃশ্য ?

নাহ--এটি পুরো "বস্তু-বিজ্ঞান-পৃথিবীর দৃশ্য"--
অর্থ্যাৎ জোর যার, মুল্লুক তার--Survival fittest--কে অনুস্মরণ করে চলে।

রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন দখলের মত ঘটণা...
আমেরিকা কর্তৃক ইরাক, আফগানস্থানে যুদ্ধের মত ঘটণা...
ইজরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনের মত ঘটণা...
ভারত কর্তৃক কাস্মীর দখলের মত ঘটণা...

অন্যদিকে, বিশ্বরাজনীতিতে, বিশ্বঅর্থনীতিতে সাম্রাজ্যবাদিতায়, পণ্য ব্যবসায় মাধ্যমে-- ভোগবাদীতা সৃষ্টির সাথে ফ্রীসেক্স, সমকামিতা, ব্লু-ফ্লীম, বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতাসহ যৌন-সূঁড়সূঁড়ি সিনেমা, নাটক, বিজ্ঞাপনে চোখ ধাঁধানোর মত সবকিছুই করা হয়-নাস্তিক/বিবর্তনবাদী/মুক্তমনা দর্শনে।

এবং বস্তু-বিজ্ঞান-ব্যবসায়কে ঠিক সেই ছঁক-দর্শনে সাঁজিয়ে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যকে সাধন করতে বিশ্বকে মাত করা হয়--কারণ মানুষ অভ্যাসের দাস, একবার তাদের মস্তিষ্কে ভোগবাদী পণ্যের অভ্যাস তাদের মস্তিষ্কে ঢুকাতে পারলে, ঠেকায় আর কে__???
----এবং এটাই পূঁজিবাদ/নাস্তিকতাবাদের সবচেয়ে বড় ধাঁরালো অস্ত্র। 

কিন্তু একমাত্র ধর্মই--সেই ধাঁরালো অস্ত্রকে ভোঁতা করে দিতে পরিপূর্ণভাবেই সক্ষম।
এজন্য বিবর্তনবাদী /নাস্তিক/মুক্তমনারা ধর্মের বিরূদ্ধেই তারা এত সোচ্চার !!! 
এবং এজন্যই বস্তুবিজ্ঞান দর্শনের মাধ্যমেই ধর্মের মূল্যবোধকে ঠেকাতে চায়।

কিন্তু দুঃখের বিষয়--বস্তুবাদী-বিজ্ঞান বস্তুকে ক্রমেই তার ক্ষুদ্রতম অবস্থার মাধ্যমে--বস্তুকে অতিক্রম করে-ঐশ্বরিক অর্থের পানে ছূঁটে চলেছে--এটা মনে হয়, নাস্তিকরা সম্ভবতঃ এখনো বুঝে উঠতে পারিনি।
সেখানে বস্তু আর বস্তু থাকছে না--অবস্তুকে আকর্ষণ করে চলেছে--বৃহৎ এক মহা মানসিক অবস্থার সম্মুখ সায়হ্নে....

কিন্তু তারপরেও বর্তমান বিজ্ঞানীমহলে ‘'বিজ্ঞানী’'- হিসেবে টিকতে হলে--আপনাকে নাস্তিক হতেই হবে--মন থেকে না হোক, অন্ততপক্ষে মুখ থেকে নাস্তিক না হলে "বিজ্ঞান একাডেমি"-তে আপনার এক পয়সারও মূল্য নেই।

এজন্য পরোক্ষভাবে হলেও একান্ত বাধ্য হয়েই--সেইসব বিজ্ঞানীদেরকে-বিবর্তনবাদ বা নাস্তিকতার পক্ষে গীত গেতেই হয় !!!

নাস্তিকদের কাছে বিজ্ঞানের সৃষ্ট--শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস--এটা কোন ফ্যাক্ট না--উছিলা মাত্র।
কারণ স্রষ্টাকে মানলে, ঐশ্বরিক ধর্মকে মানতে হবে।
এবং মানতে গিয়ে নিজের মনের মুক্ত খায়েশগুলো আর কখনই পূরণ হবেনা--এই যন্ত্রণা থেকে বাঁচবার জন্য বিজ্ঞানের দোহায় পাড়া !!!

কিন্তু সেই বস্তু-বিজ্ঞানের কী বাপের ক্ষমতা আছে--সৃষ্ট বিশ্বজগত সম্পর্কে বুঝবার___!!!
বিজ্ঞান এমনটি দাবী কখনই করেনি, করেনা এবং করবেও না--সেই যোগ্য-ক্ষমতা বিজ্ঞানের নাই, এটা বিজ্ঞানও জানে--কেবল জানেনা, বিবর্তনবাদী নাস্তিক মুক্তমনারা----->

কিন্তু এভাবে বিজ্ঞানের দোহায় দিয়ে নাস্তিকতার ব্যবসায় আর কতদিন__???

Post a Comment

0 Comments

 🔴 শিম্পাজী কখনও কী বিবর্তন প্রক্রিয়ায় মানুষ হতে পারবে ?