Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ইলুমিনাতি, পর্ব ০৩

ইলুমিনাতি
পর্বঃ ৩
আজ আমরা জানবো ৯/১১ কারা ঘটিয়েছে এবং এখানে তাদের লাভ কি হয়েছে? এর সাথে ইলুমিনাতি কিভাবে সম্পৃক্ত?

৯/১১ এর #কারণ
 ২০০০-২০০৮ সাল পর্যন্ত জুনিয়র বুশ ক্ষমতায় ছিলেন। তার ২০০০ সালে নির্বাচন এ ইলুমিনাতির হাত আছে বলে ধারনা করা হয়েছিল। যেমনটা টাম্প এর সময় হয়েছে। বুশ ছিলেন একজন কঠোর নেতা। তাই অনেক মানুষই তাকে পছন্দ করতেন না। ৯/১১ এর ঘটনা ঘটার পর সবাই ভেবে নেন এখনে বুশ এর অবস্থান খুবই প্রয়োজন। এই সময় বুশ সব দোষ আল-কায়দা ও ওসামা-বিন লাদেন কে দেয়। এবং ওদের কে শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে চরম জনপ্রিয়তা পায়। এতোটাই জনপ্রিয়তা পায় যে পরের নির্বাচনেও এই অনেকটা প্রভাব পরে।
এখানে এই নাটক টা করে লাভ ছিল বুশ এর।

 #ইলুমিনাতি_এখানে_কিভাবে_জড়িত?
৯/১১ এর রেশ ধরে বুশ বিভিন্ন দেশে দখলদারিত্ব শুরু করে। এই রেশ ধরেই বুশ ইরাক এ আক্রমন করে। এই বলে যে সাদ্দাম এর কাছে মরনাস্ত্র আছে এবং সে ৬ ঘন্টার মধ্যে আমেরিকাতে আক্রমন করবে। এবং বুশ আরও বলেন যে, সে সাদ্দাম এর পতন করে সৈরাচারী শাসন বন্ধ করতে চান।
৬ ঘন্টার মধ্যে আক্রমন এর বাহানা করে স্বপ্নের শহর ইরাক এ ২ দিন টানা বিমান হামলা চালায়। 
-গুড়িয়ে যায় স্বপ্নের বাগদাদ।

ইরাক ও ফিলিস্তিন থেকে এতো তেল চুরি করেছে যে তাদের আগামি ৩০০ বছর এর তেল এর চাহিদা পুরন করা যাবে।
বুঝে নিন, কিভাবে তেল চুরি হচ্ছে।
সাদ্দাম থাকাকালে, ইরাকের ১ দিনার ছিল বাংলাদেশ এর ১২৫ টাকা। 

এখানে ইলুমিনাতির OWO( One World Order) এর উদ্দেশ্য অনেকাংশ বাস্তবায়ন হয় কিভাবে?
ইলুমিনাতি পুরো পৃথিবী তে শাসন করতে চায়। তাই সাদ্দাম এর মতো সৈরশাষক তাদের জন্য কাঁটা ছিল। তাই সাদ্দাম কে শেষ করলো

#বুশ_ইলুমিনাতির_সাথে_কিভাবে_জড়িত?
২০০০ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর বুশ প্রথম মার্কিন One world order প্রস্তাব করে। যা ইলুমিনাতির মূল স্বপ্ন। বুশ এর পরে সব প্রেসিডেন্টরাই একই পথ ধরে কাজ করছে।
শুধু তাই না, বুশ ২০০৪ সালে আবার ক্ষমতায় আশার পর মার্কিন ১ ডলার এর নোট এ ইলুমিনাতির সাইন বা চিহ্ন বসায়। ইলুমিনাতির সাইন হলো একটি ত্রিভুজ ও তার ভেতরে একটি চোখ।
-১ ডলার নোট এর একটি ছবি দিলাম
এখন আপনার মনে একটা প্রশ্ন আসতে পারে, ইলুমিনাতির এতো ক্ষমতা কিভাবে হয় যে তারা নিজের ইচ্ছা মতো দেশে প্রেসিডেন্ট বসাবেন?
শুধু বুশ না, বুশ এর পর প্রায় সব প্রেসিডেন্ট ই ইলুমিনাতির মনোনিত।

আপনারা অনেকেই সিম্পসন্স কার্টুন দেখছেন। 
অনেক জনপ্রিয় একটি কার্টুন। কিন্তু সেই কার্টুনে ভবিষ্যতে ঘটবে এমন অনেক মারাত্মক ঘটনার ইংগিত দেওয়া হয়েছে। 
#_যেমনঃ
• ১৯৯৭ সালের একটি এপিসোড এ ৯/১১ এর ঘটনার ইংগিত আছে, সেখানে world trade center এ বিমান হামলা হয়েছিল।
• ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ এর ৩ মাস আগেই জার্মানির চেম্পিয়ন হওয়ার ইংগিত 
• ১৯৯৭ এ ইবোলা ভাইরাস আসার ইংগিত, যেটা ২০১৪ তে সত্য হয়।
• ২০০০ সালের একটি এপিসোড এ দেখায় ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছে।
#দেখুনঃ https://fb.watch/aOptCY-JGG/

এখানেই শেষ না
আজ আমরা আমেরিকাতে ইলুমিনাতির প্রভাব এবং OWO(One World Order) এর বাস্তবায়ন প্রণালী নিয়ে আলোচনা করবোঃ

-আগেই বলেছি যে, ১৩ টি ফ্যামিলি মিলে ইলুমিনাতিকে পরিচালোনা করে বলে ধারনা করা হয়। কিন্তু বাস্তবে তার সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।তারা চায় তাদের গোষ্ঠী পৃথিবী শাসন করবে। এবং তারা অনেক আগে থেকে অন্তঃবিবাহের মাধ্যমে নিজেদের ব্লাডলাইন ঠিক রেখেছেন। এদের মধ্যে রথচাইল্ড ফ্যামিলি সবচেয়ে প্রভাবশালী।সুতরাং রথচাইল্ড ফ্যামিলির জেকব রথচাইল্ড(Jacob Rothschild) এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তাকে বর্তমানে ইলুমিনাতির মূল পরিচারক বলা যায়। 

-আমরা জানি, বিল গেটস বর্তমান পৃথিবী তে সবচেয়ে ধনী। তার মোট সম্পদ এর পরিমান প্রায় ৮৬.৭ বিলিয়ন। (হিসাবটা ২০১৭ সালের)
কিন্তু রথচাইল্ড ফ্যামিলির মোট সম্পত্তি এর পরিমান জানেন?
প্রায় ৫০০ ট্রিলিয়ন( ১ ট্রিলিয়ন = ১০০ বিলিয়ন)

জানেন বাংলাদেশ সরকার এর এই ৫ বছর এর বাজেট কত?
৩.৭ ট্রিলিয়ন প্রায়।
আশা করি বুঝতে পারছেন তাদের সম্পত্তির পরিমান।

কিন্তু প্রশ্ন হলো তারা তাহলে এতো কম পরিচিত কেন?
কারন তারা ইলুমিনাতির শুরু থেকেই তাদের সম্পদ ঢাকতে পটু।

তারা আমেরিকাকে নিজেদের হাতের পুতুল বানালো কিভাবে?
এই গ্রুপ আমেরিকার রাজনীতি তে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। তারপর তারা ক্ষমতালোভী সরকারকে প্রচুর পরিমান ঋন দিয়েছে। এবং এখন ঋনের পরিমান এতোই বেড়ে গেছে যে আমেরিকার কোনো রাজনৈতিক দলই তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সাহস পাবে না।

আপনি কি জানেন আমেরিকায় ইহুদিদের সংখা মোট জনসংখ্যার মাত্র ৭%। কিন্তু তারা আমেরিকার মোট সম্পদ এর ৫০% ভাগ সম্পদ এর মালিক। তাই এখন যদি আমেরিকান সরকার ইলুমিনাতির বিরুদ্ধে যায় তাহলে ২য় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান এর মতো অবস্থা হবে।

প্রথমত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এডলফ হিটলার ইলুমিনাতির উদ্দেশ্য সাধন এর জন্যই সৃষ্টি। কিভাবে তা পরে বলবো। এখন আসল কথা আসি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদী হত্যা করে। তাই তিনি হলেন সর্বকালের সবচেয়ে ঘৃন্য ব্যক্তি। কিন্তু কথা হলো তিনি সব ইহুদী দের মারলেন কেন? বর্তমান এর আমেরিকার মতো তখনও জার্মান এ ইহুদীরা ছিল অর্থনৈতিক ভাবে খুবই শক্তিশালী। শুধু তাই না, তারাই তখন জার্মানির প্রায় সব কারখানার মালিক ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি পর্যায়ে তারা অস্ত্র উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। সেকারনে জার্মান বাহিনীর অনেক সমস্যায় পরতে হয়। তারা আরও একটা কাজ করে। অস্ত্র না পাওয়ার কারনে যখন যুদ্ধে জার্মান বাহিনীর খারাপ অবস্থা ছিল, তখন তারা একটা প্রোপাগান্ডা ছড়ায় যে, যুদ্ধে খারাপ অবস্থার কারনে সৈনিকদের অর্ধেক বেতন দেওয়া হবে। তাই সবার ভেতরে যুদ্ধের ব্যপারে অনিহা কাজ করে।

২য় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার একই ভুল করতে রাজি ছিলেন না। তাই সে রাষ্ট্রদ্রোহীতার বাহানায় ইহুদীদের মারা শুরু করলো। কারন, দেশে ইহুদি থাকলে যুদ্ধ জিতা সম্ভব না। তাই হিটলার হয়ে গেল পৃথিবীর সবচেয়ে ঘৃণ্য এবং নিষ্ঠুর ব্যাক্তি।
কিন্তু তিনি যদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয়ী হতে পারতেন তবে হয়তো পরে শান্তিতে একটা নোবেল পুরষ্কার ও পেতেন!
এমনকি, ১৯৩৮ এ শান্তি নোবেল পুরষ্কার এর জন্য তার নামও নমিনেট হয়েছিল। যা আমরা কেউই হয়তো জানিনা।
#লিংক- http://nobeliana.com/english/articles/adolf_hitler_a_nobel_peace_prize_laureate_/?m=Mobile

যে জন্য এই কথা বললাম, আমেরিকা যদি এখন চুদুরবুদুর 😁😛 করে, তাহলে তাদের অবস্থা ও জার্মান এর মতো হবে। এভাবে আমেরিকা তাদের হাতে বন্দী।

#ইলুমিনাতি_সাইনঃ
ইলুমিনাতির সাইন বা চিহ্ন হলো একটি ত্রিভুজের ভেতরে একটা চোখ। এই সাইন ব্যবহার করার কন্সেপ্ট টা আসে মিশরের পিরামিড থেকে। আমরা জানি মিশরের পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি। কিন্তু কেন?

 প্রায় ৫০০০+ বছর আগে মিশরে নীলনদের তীরে পিরামিড এর সভ্যতা গড়ে উঠে। কিন্তু সেই পিরামিড এর কিছু অসাধারণ তথ্য আমাদের এই যুগের বিজ্ঞানীদের কে ও অবাক করে দেয়। 

#এখন_সেই_তথ্য_গুলো_জানবোঃ
পিরামিড এর স্ট্রাকচার হলো আসলে একটি রেশনাল স্ট্রাকচার। দেখা গেছে এই স্ট্রাকচারটাই সবচেয়ে ভূমিকম্প সহনীয় স্ট্রাকচার। তখনকার মানুষ এটা জানলো কিভাবে এই রেশনাল স্ট্রাকচার এর কারনে গত ৩০০০ বছরে প্রায় ১৬ টি মারাত্মক ভূমিকম্পকে হেলা করে দাঁড়িয়ে আছে এই পিরামিড গুলো।

পিরামিড গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন পিরামিড হলো গির্জার খুফুর পিরামিড। ফারাও রাজা খুফু নিজে এটি নির্মান করেন। সেই পিরামিড এর প্রতিটি পাথর এর ওজন প্রায় ৬০ টন। আমাদের জানা মতে তখন কোনো মালবাহী গাড়ি ছিল না ,পাথর বহন করার মতো উন্নত কোনো প্রযুক্তিও ছিল না । তাহলে মরুভূমির বালুর মধ্যে এগুলো কি মানুষ বহন করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেত? বালুর মধ্যে তো হাটাই অনেক কঠিন।
 শুধু তাই না খ্রিষ্টপূর্ব ২৫৬০ এ এটা নির্মান করা হয়। ১৭৮৯ সালে আইফেল টাওয়ার হওয়ার আগে পর্যন্ত ৪৪০০ বছর ধরে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে উচু স্থাপনার গৌরব ধরে রেখেছিল।
প্রথমে ধারনা করা হয়েছিল এই পিরামিড বানাতে ১ লক্ষ লোকের ২০ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু পরে জানা যায় সময় তার চেয়ে অনেক কম লেগেছে!🙄
শুধু মিশর না, পৃথিবীর আরও অনেক জায়গায় পিরামিড দেখা যায়। কোনো যান্ত্রিক সুবিধা ছাড়া এটা কিভাবে সম্ভব?

আমার কাছে সবচেয়ে মারাত্মক ব্যপার হচ্ছে, পিরামিড গুলো এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যে, দিনের শুরুতে একদম প্রথমে সূর্যের আলো পিরামিড এর চুড়ায় পরে। এবং পরে সব যায়গায় ছড়িয়ে যায়। এবং দিন শেষ এ ঠিক এর উল্টোটি হয়। এটা কিভাবে করা হয়েছে তা আজও একটা রহস্য।

পিরামিড এর পাথর গুলো এতো ধারালো ও মসৃণ ছিল যে তা খুব আধুনিক যন্ত্র ছাড়া কোনোভাবেই কাঁটা সম্ভব ছিল না। পাথর গুলোর মধ্যে দিয়ে কোনো বাতাস ঢোকার ও জায়গা নেই!
শুধু তাই না, ধারনা করা হয় প্রতিটা পিরামিড এর থিওরি মহাকাশ এর কোনো না কোনো নক্ষত্র থেকে নেওয়া। কিন্তু তা এখনও তা পুরাপুরি জানা জায় নি।

- যেহেতু ইলুমিনাতির ভাষ্যমতে তারা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে, তাই তারা পিরামিড এর সাইন ব্যবহার করে।
-কিন্তু মাঝখানের চোখ টা কি?

#কিন্তু_তারা_এই_জ্ঞান_ও_প্রযুক্তি_কোথায়_পেয়েছে?
-ধারনা করা হয় তাদেরকে এই জ্ঞান ও প্রযুক্তি দিয়েছে শয়তান। এমনকি তাদের সভ্যতা থেকেই সর্বপ্রথম ব্যাফোমেট এর মুর্তি পাওয়া যায়। ফারাও রাজারা শয়তান এর পূজা করেই হয়তো এতো প্রযুক্তি জ্ঞান পেয়েছিল। কেননা আজ থেকে ৭১০০ বছর আগে তারা এমন প্রযুক্তি কিভাবে ব্যবহার করলো যে আজকের বিজ্ঞানীরাও তার উত্তর খুজে পায় না।

 #ইলুমিনাতি_একটা_অন্য_এক_ধরনের_বিজনেসঃ
- এই বিজনেস টা হলো সফলতা দেওয়ার বিজনেস। এই বিজনেস করে ওদের একসাথে দুইটি লক্ষ্য পূর্ন হয়। 

আমরা জানি, ইলুমিনাতির একমাত্র লক্ষ্য হলো One World Order.
এই অর্ডার এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব মানুষকে এক কাতার এ রাখা। কিন্তু সেটা কোন ভালো কাতার না। এই কাতার হবে শুধু গোলাম এর।

গোলাম কারা হবে?
-আমরা!
আর শাষন করবে শুধু একটি সংগঠন। 
বুঝিয়ে বলছি। বর্তমান পৃথিবীর যত বড় সেলিব্রেটি আছে, তারা প্রায় সবাই ইলুমিনাতির সদস্য।

 কেউ সেলিব্রেটি হওয়ার পর ইলুমিনাতি জয়েন করে, আবার কেউ ইলুমিনাতির সাহায্য নিয়ে সেলিব্রেটি হয়। ইলুমিনাটি কাউকে কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া কিছু দেয় না। সেলিব্রেটি বানায়, কিন্তু তার বিপরীতে ১৬ আনা উশিল করে নেয়।🥴😑

 #তাদের_ব্যবসাটা_কি?
আপনি যদি ইলুমিনাতির ওয়েব সাইট এ যান,তাহলে দেখবেন ইলুমিনাতিতে খুব সহজেই জয়েন করা যায়। আপনার নাম, দেশ, মোবাইল নাম্বার দিবেন। তারা নিজেরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। নিজেরা বলতে তাদের এজেন্ট আপনাদের সাথে যোগাযোগ করবে।
তারা আপনাকে একটা বই পড়তে দিবে, যার নাম "ইলুমিনেটিয়াম"। বইটা কিছুটা হিপনোটাইজ এর মতো কাজ করবে।
সেখানে আপনাকে বলা হবে, "আগামি ৫০ বছর পর যে টেকনোলজি ব্যবহৃত হবে তা আমাদের কাছে এখনই আছে। আমাদের কাছে আগামী ১০০ বছর এর প্ল্যানিং আছে", হ্যান-ত্যান আরও অনেক কিছু।
কিন্তু সবই ধান্দাবাজি। এগুলা সব টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ধান্দা।

"ইলুমিনেটিয়াম" বই টা আপনাদের টাকা দিয়ে কিনতে হবে। দাম টা আমার মনে নাই।
কিন্তু মূল ব্যবসা আরও পরে। বইটা পড়ে আপনার যেই পরীক্ষা দিতে হবে, তা আপনার ভাগ্য নির্ধারন করবে।
যদি আপনার পরীক্ষার ফলাফল দেখে মনে হয় যে আপনাকে কাজে লাগানো যাবে, তাহলে আপনাকে তারা তাদের সংগঠন এ নিয়ে নিবে।
আপনাকে ১ মিলিয়ন ডলার এডভান্স, এবং ৫০০০০ ডলার প্রতি মাস পাবেন। এবং সাকসেসফুল বানানোর জন্য সসম্পূর্ণ সাপোর্ট দিবে।
কিন্তু মজার ব্যপার হলো, আপনার পরীক্ষা দেখে তাদের যদি মনে হয় যে আপনাকে দিয়ে কোন কাজ হবে না। তাও তারা আপনাকে সংগঠন এ নিয়ে নিবে। কিন্তু পার্থক্য হলো তারা আপনাকে টাকা দিবে না। বরং মাসিক কিছু চাঁদা নিবে।

কিন্তু তাদের সবচেয়ে বড় আয় হলো, তারা যেই সেলিব্রেটি,পলিটেশিয়ান,বিজনেসমেন দের তৈরি করে, তারা প্রতি মাসে বিশাল অংকের একটা ফান্ড দেয় এই রথচাইল্ড ফ্যামেলিকে "One world order" এর জন্য। আমরা জানি পৃথিবীর সব বিশ্ব তারকারা যদি একটা সংস্থাতে ফান্ড দেয় তবে তার আকার কেমন হতে পারে। তা হয়তো আপনার আমার চিন্তার বাইরে। এই ফান্ড এর কারনেই মূলতো এতো জলদি ফুলে উঠছে।

এখন হয়তো ভাবছেন, একবার ফেমাস সেলিব্রেটি,বড় পলিটেশিয়ান, বিশাল বিজনেসম্যান হওয়ার পর যদি তারা ফান্ড না করে? যদি তারা ইলুমিনাতিকে সাপোর্ট না করে তবে কি হবে?
একটা কথা মনে রাখবেন, যারা ইলুমিনাতি করে তারা সবাই কিন্তু শয়তান এর পূজা করে না। বলা যায় যে, যারা শয়তান এর পূজা করে তারা ইলুমিনাতির কোর টিম এর মেম্বার। এবং অন্যরা সাধারণ সদস্য। 
যদি কেউ ইলুমিনাতির সাথে পল্টি নেয়, তাহলে তার পরিণাম শুধুই মৃত্যু।
এমন অনেক নজির আছে।
যেমন, মাইকেল জ্যাকসন, বাদশাহ ফয়সাল, প্রিন্সেস ডায়না আরও অনেকে।

CIA(মার্কিন ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ) এবং MOSSAD(ইসরাইলি ইন্টালিজেন্স এজেন্সি) প্রত্যক্ষভাবে এটা মনিটরিং করে।
(আমরা হয়তো জানি না আবার অনেকেই জানি, আমরা যে ফেসবুক চালাই তার লাভের ৬০% শেয়ার মোসাদ এর।)

যেহেতু জুনিয়র বুশ ইলুমিনাতির খুব বড় সদস্য, এবং ৯/১১ এর মতো কাজ করতে পারে, তার কাছে নিজের বাবাকে মারা খুব বড় কিছু না।

আমি বলেছিলাম ইলুমনাতি মানুষকে খুব বড় সেলিব্রেটি বানিয়ে আসলে ১ ঢিলে দুই পাখি মারে।
-প্রথমত, তারা একটা বিশাল অংকের ফান্ড তো পায়ই।
-দ্বিতীয়ত, তারা ওই সেলিব্রেটিদেরকে ব্যবহার করে মাইন্ড কন্ট্রোল করে।

#মাইন্ড_কন্ট্রোলিং_কি?
আমরা সবাই, কেউ এমিনেম এর ফ্যান, কেউ জাসটেন বেইবার এর, কেউ মাইকেল জ্যকসন এর, কেউ সেলিনা গোমেজ, কেউ পিটবুল, কেউ হানি সিং... ইত্যাদি।

আমরা সবাই কিন্তু নিজের ফেভারেট সেলিব্রেটিদের ফলো করি। হেয়ার-স্টাইল, ড্রেস-আপ, পারসোনালিটি, এটিটিউট.....এক কথায় সব। ( মুসলিম হিসেবে এগুলো পরিহার করতে হবে। )

সেই সেলিব্রেটিরা কিন্তু আমাদের মেক্সিমাম টাইমে ভালো কিছু শিখায় না। বরং উগ্র এবং উশৃংখল হতে শিখায়। রেপার রা কিন্তু আমাদের স্বার্থপর হতে শিখায়। তাদের গান এ মনে হয় সবকিছু শুধু আমিই পারি এবং আমিই সব।
এভাবে তারা আমাদের কে মেন্টালি দূর্বল করে ফেলে। আমাদেরকে এমন করে ফেলে যে আমরা অন্যের ভালো দেখতে পারি না।
ফলাফলস্বরূপ, আমরা নিজারাও লাইফ এ বড় হতে পারি না এবং অন্যকে ও হতে দেই না। এবং তাদের ও আমাদের স্ট্যাটাস এর মাঝে বড় একটি পার্থক্য তৈরি হয়।
আমরা সবাই এখন জানি আবার জানি না ব্যাফোমেট কি । কিন্তু কিছু ভুল ধারনা আছে।
আমরা ভাবি, বেফমেট হলো একটা শয়তান এর মূর্তি। কিন্তু নাহ। শয়তান হলো শুধু ইবলিশ বা লুসিফার। শয়তান কে বাইবেল এ লুচিফার নামে ডাকা হয়েছে। 
চলবে...


 

Post a Comment

0 Comments

 🔴 শিম্পাজী কখনও কী বিবর্তন প্রক্রিয়ায় মানুষ হতে পারবে ?