পর্ব ১
"ইব/লী"স। শয়/তা"নের। আরশ সমূদ্রের উপর”
জাবের বিন আব্দুল্লাহ্ (রাদিঃ) হতে বর্ণিত হয়েছেঃ তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ইবলীশের আরশ হচ্ছে সমূদ্রের উপরে, সে তার দলবলকে (অনুচরদেরকে) প্রতিদিন প্রেরণ করে মানুষকে ফেতনায় ফেলার জন্য। আর তার (ইবলীশের) নিকট তাদের (সহচরদের) মধ্য হতে সেই বেশী বড় মর্যাদার অধিকারী তাদের যে লোকদেরকে বেশী বড় ফেতনায় ফেলতে পারে।
মুসনাদে আহমাদঃ ১৪৮৫৬, ১৪৮১৪; সহিহ মুসলিমঃ ৭২৮৩-৭২৮৫।
অন্য বর্ণনায়ঃ আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’আমর বিন্ ’আস (রাদিঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ অর্থাৎ সাগরের মধ্যে অনেকগুলো শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়েছে। যাদেরকে শক্ত করে বেঁধে রেখেছেন সুলাইমান (আ.)। অচিরেই তারা সাগর থেকে বের হয়ে মানুষকে কোরআন পড়ে শুনাবে অথচ তা কোরআন নয়।” (মুসলিম,ভূমিকা,হাদীস ৭ এর অধীন)
আটলান্টিক মহাসাগর বা অতলান্ত মহাসাগর (ইংরেজি: Atlantic Ocean) পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর। এর আয়তন ১০৬.৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার (৪১.১ মিলিয়ন বর্গমাইল); এটি পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রায় এক পঞ্চমাংশ এলাকা জুড়ে অবস্থিত। আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত। উত্তরে উত্তর মহাসাগর এবং দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর। এবার বারমুডার অবস্থান বিশ্লেষণ করুন। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল অঞ্চলটা আটলান্টিক মহাসাগরের কিউবার আগে পোর্টিরেকুর সন্নিকটে অবস্থিত। অর্থাৎ বারমুডা থেকে আমেরিকার দূরত্ব বেশি নয়। আর আমেরিকাই এখন বিশ্বের শীর্ষ সাম্রাজ্যবাদী বরফাচ্ছন্ন রাষ্ট্র। বারমুডা অঞ্চলটা সম্পর্কে নিত্যদিন অনেক বিরল ও বিস্ময়কর কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু ব্যাপক অনুসন্ধান সত্ত্বেও আজ অবধি কোন অনুসন্ধানের ফলাফল পুরোপুরি জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়নি। এতেই অঞ্চলটার রহস্যময়তার প্রমান পাওয়া যায়। এ পর্যন্ত এখানে অসংখ্য জাহাজ অদৃশ্য হয়ে গেছে। হারিয়ে যাওয়া জাহাজের অনুসন্ধানে বিমান পাঠানো হলে উক্ত অঞ্চলে প্রবেশ করা মাত্র সেই বিমান ও অদৃশ্য হয়ে গেছে। অদৃশ্য হয়ে যাওয়া প্রতিটা জাহাজের কাহিনী শুনবার মতো বিষয় । সেই কাহিনীগুলো পরের কোন পর্বে জানাবো।
সর্বপ্রথম যে ঘটনাটা বহিঃজগতের সামনে এসেছিল, সেটা ছিল ১৮৭৪ সালে অদৃশ্য হওয়া জাহাজ। তাতে অবস্থানরত তিনশোরও বেশী লোক ক্যাপ্টেন সহ লাপাত্তা হয়ে গিয়েছিল এবং জাহাজটা ক্যাপ্টেন ছাড়াই নিরাপদ অবস্থায় কূলে পাওয়া গিয়েছিল। একবার জাহাজের সব কজন যাত্রীকে মাতাল অবস্থায় কূলে পাওয়া গিয়েছিল এবং তাদের জাহাজ উক্ত অঞ্চলে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল। যাত্রীদের ভাষ্যমতে জাহাজটা যখন উক্ত অঞ্চলে প্রবেশ করে, তখন মস্তিষ্কে একটা ধাক্কার মতো লাগে। তারপর কীভাবে কূলে পৌছায় তার কিছুই তারা জানে না।
#ইবলিস_ও_দাজ্জালের_অবস্থান_ও_বারমুডা_ট্রায়াঙ্গল_রহস্য .....
অনুরূপভাবে অন্য বহু উড়োজাহাজের ক্ষেত্রেও অনেক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটা ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোন কমিটিরই রিপোর্ট জনসম্মুখে আসতে দেয়া হয়নি। মজার ব্যাপার হচ্ছে মুসলমানরা যেমন এই বারমুডা ট্রাইএ্যাঙ্গেলকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন, কেননা এর সত্যতা ও মহানবী (সাঃ) এর কিছু ভবিষ্যৎ বানীর সাথে মিল রয়েছে। কিন্তু ইহুদী ও ইসলামে অবিশ্বাসকারীরা বরং বিশ্বের দৃষ্টিতে প্রকৃত সত্য থেকে সরিয়ে রাখার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রতারকরা গল্পকারদের মাধ্যমে এমন কাল্পনিক উপন্যাস প্রচার করছে।
ইউটিউবে সার্চ দিলেই, মুসলিম ও তাগুতি গোষ্ঠী দুই পক্ষেরই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে নিজ নিজ মতামত জানা যায়। এবং স্পষ্টভাবেই এবং স্বাভাবিক ভাবেই, মুসলিমদের মতামত, ব্যাখ্যাগুলো, বেশী শক্তিশালী। এবং তাগুতি গোষ্ঠী বিষয়টাকে যথারীতি ধামাচাপা এবং লুকিয়ে রেখে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এই অঞ্চলের ব্যাপারে একটি কথা প্রচলিত আছে যে, এলাকাটার বেশিরভাগ জায়গার পানির মধ্য থেকে আগুন নির্গত হয় এবং পুনরায় আগুন ভিতরে ঢুকতে দেখা যায়।
ইবলিসি শক্তিগুলোর গোপন তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক ধোঁকাবাজদের যদি পরিসংখ্যান নেয়া হয়, তাহলে যথেষ্ট তথ্য প্রমান পাওয়া যায় যে, উক্ত অঞ্চল আন্তর্জাতিক কুফরিশক্তির গোপন ঠিকানা। এখানে অবস্থান করেই তারা তাদের গোপন তৎপরতা পরিচালনা করছে।
কোন কোন হাদিসে আছে, “ইবলিস সমুদ্রে তার সিংহাসন পাতে” । এতেও প্রমাণিত হচ্ছে, ইবলিসের সিংহাসন বা কেন্দ্র এমন একটা অঞ্চলে হবে, যেখানে কুফরির রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত থাকবে। তাছাড়া কুরআন-হাদিস দ্বারা এ বিষয়টাও প্রমানিত যে, ইবলিস তার মানুষ বন্ধুদের পরামর্শ দিয়ে থাকে। এমনকি যখন প্রয়োজন হয়, তখন মানুষের আকৃতিতে এসে তাদের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। বদর যুদ্ধে ইবলিস বনু কিনানার নেতা সুরাকা ইবনে মালিকের আকারে আবুজাহলের সঙ্গে উপস্থিত ছিল এবং আবু"জাহে/লকে যুদ্ধ করার জন্য অনবরত উসকানি দিচ্ছিল।
ইবলিসের কেন্দ্র সমুদ্রের কোথাও এমন এক অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়া দরকার, যেখান থেকে বর্তমান সকল ইবলিসি পরিকল্পনা প্রস্তুত হচ্ছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল আমেরিকার কাছাকাছি একটা দ্বীপ এবং বর্তমানে আমেরিকা বিশ্ব কুফরিশক্তির কেন্দ্র। তাই হতে পারে, বারমুডা অঞ্চলটা ইবলিসের একটা কেন্দ্র এবং এখান থেকেই সে তার জিন ও মানুষ শয়তানদের সে তার পথনির্দেশনা দেয়, তার তাই বিশ্ববাসী থেকে অঞ্চল টাকে দূরে রাখার জন্যই এলাকাটাকে আতঙ্কের প্রতিমূর্তি বানিয়ে রাখা হয়েছে। যে তথ্য প্রমান পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক শক্তির ইচ্ছা ব্যতিত তা বাইরে আসতে পারবে না।
কি বুঝলেন?হালকা কিছু কি বুঝতে পেরেছেন? রহস্য মনে হচ্ছে তাই না? পুরো রহস্যেগেরা।
#বারমুডা_ট্রায়াঙ্গল_এর_অবস্থান :
বারমুডা আটলান্টিক মহাসাগরের সর্বমোট ৩০০ টি দ্বীপ নিয়ে বিস্তৃত এলাকার নাম। যার মধ্যে বেশির ভাগই অনাবাদী। শুধুমাত্র ২০ টি দ্বীপের মধ্যে মানুষের অবস্থান পাওয়া যায়। আর যে এলাকাকে আশংকাজনক মনে করা হয়, তাকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বলা হয়। এ এংগেলের আয়তন চারপাশ থেকে ১১,৪০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। উত্তরে বারমুডার বিভিন্ন দ্বীপ, দক্ষিন-পূর্বে পোরটোরিকো এবং দক্ষিন-পশ্চিমে মার্কিন গনতান্ত্রিক সরকার শাসিত প্রসিদ্ধ ফ্লোরিডা শহর। অর্থাৎ এই এংগেলের মুল অবস্থান ফ্লোরিডায়। হ্যাঁ …..ফ্লোরিডা। (ফ্লোরিডার অর্থ হচ্ছে – ওই খোদার শহর যার অপেক্ষা করা হচ্ছে বা ওই খোদা যার অপেক্ষা করাচ্ছে)।[
প্রায় চারশত বছর পুর্ব থেকে ওই বিরান এলাকায় কোন মানুষ বসবাস করেনি। এমনকি জাহাজের ক্যাপ্টেন পর্যন্ত ভয়ে ওই এলাকা থেকে দুরে থাকে। ওখানে একটি কথা খুবই প্রসিদ্ধ যে, “ওখানকার পানির গভীরে ভয়ংকর সব শয়তানি রহস্য লুকায়িত রয়েছে “। এমনকি ওখানকার আকাশপথের ভ্রমনকারীরা এয়ারহোষ্টেসকে পর্যন্ত সর্বপ্রথম জিজ্ঞেস করে- আমাদের বিমান কি বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের উপর দিয়ে যাবে?? কোম্পানির জবাব যদিও নেতিবাচক হলেও বাস্তব তার বিপরীত।
#বারমুডা_ট্রায়াঙ্গল_কি_আসলেই_ট্রায়াঙ্গলের (ত্রিভুজ) আকৃতি?
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল পুরো এরিয়াটাই সমুদ্রে। যা আটলান্টিক সাগরে অবস্থিত। সুতরাং চিন্তার বিষয়- চারিদিকে পানি আর পানি, এখানে এংগেল বা ত্রিভুজের আকৃতি কি করে সম্ভব??!! সুতরাং প্রথমেই জানতে হবে যে, এংগেল বাস্তব নয়; বরং এটি একটি বিশেষ এলাকার নাম যেখানে অবিশ্বাস্য সব ঘটনার জন্ম হয়। ওই এলাকাকে ট্রায়াঙ্গল হিসেবে সাধারণ নাম দেওয়া হয়েছে। এ নামের ব্যাপারে প্রসিদ্ধ আছে যে, ১৯৪৫ সালে ওই এলাকায় একসাথে কয়েকটি বিমান গায়েব হওয়ার পর এক প্রেস কনফারেন্সে সর্বপ্রথম এই নাম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এটা খুবই রহস্যপূর্ণ যে, নামটি কেন ট্রায়াঙ্গল রাখা হল।
ওই দুর্ঘটনার পূর্বেও ওখানে বহু ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু তখন ওই এলাকাকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের পরিবর্তে শয়তানের দ্বীপ হিসেবে চেনা হত। “ক্রিস্টোফার কলম্বাস(১৪৫১-১৫০৬)” সামুদ্রিক ভ্রমণের সময় যখন ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন সেও ওখানে কিছু অচীন ও আশ্চর্য বিষয় প্রত্যক্ষ করেছিল। যেমনঃ আগুনের গোলা সমুদ্রের ভিতরে প্রবেশ করা, ওই সীমানায় প্রবেশ করলেই কোন প্রকার যুক্তিসঙ্গত কারন ছাড়াই কম্পাস খারাপ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
কলম্বাসের আমেরিকা ভ্রমণের পাঁচ শতাব্দী পার হয়ে গেল। কিন্তু এ প্রশ্ন আজও বাকী রয়ে গেছে যে- ওখানকার পানির গভীরে বা পানির উপরিভাগে-আকাশপথে কি এমন রহস্যময় বিষয় গোপন রয়েছে, যার ব্যাখ্যা বর্তমান অত্যাধুনিক স্যাটেলাইটের যুগেও খুজে বের করা সম্ভব হচ্ছেনা? ১৮৫৪ সালের পূর্বে আরব বনিকেরাও ওই এলাকা দিয়ে আসা-যাওয়া করত, কিন্তু তাদের জাহাজ তো কখনো দুর্ঘটনা বা কোন অস্বাভাবিক রহস্যের কবলে পড়েনি। অথচ এরকম ঘটনা ওখানে ১৮৫৪ সালের পূর্বেও বহুবার ঘটেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বলেছিলেন,” আমার কাছে সরাসরি খোদার কাছ থেকে নির্দেশনা আসে।” (নাউজুবিল্লাহ)
ইরাক আক্রমণের পূর্বে বুশ বলেছিলেন-“এই যুদ্ধের পর তাদের প্রতিশ্রুত মাসী""হ (দা/জ্জাল) আবির্ভূত হবে। এরপর বুশ ইস"রা/ইল সফর করেন। মস্কো টাইমস এর রিপোর্ট অনুযায়ী এই সফরের সময় এক বৈঠকে (যেখানে ফিলিস্তিনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ আব্বাস ও হা/মা"স নেতারাও উপস্থিত ছিলেন) বলেছেন -” বর্তমান পদক্ষেপে আমি সরাসরি খোদা থেকে শক্তি অর্জন করেছি। (নাউজুবিল্লাহ)
খোদা আমাকে আদেশ করেছেন আল কায়েদার উপর আঘাত হানো। সেজন্যই আমি তার উপর আঘাত হেনেছি। তারপর তিনি আদেশ করেছেন সা"দ্দা,মের উপর আক্রমণ কর। ফলে আমি সাদ্দামের উপর আক্রমণ করেছি। এখন আমার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা হল আমি মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যার সমাধান করবো। তোমরা (ইহু/দীরা) যদি আমাকে সাহায্য কর আমি সম্মুখে অগ্রসর হব। অন্যথায় আমি আসন্ন নির্বাচনের প্রতি মনোযোগী হতে চাই।”
কি বুঝলেন? বুশের এই বক্তব্য প্রতিজন সেই মুসলমানদের চোখগুলো খুলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট, যারা বিশ্বময় চলমান জিহা/দগু"লোকে বিভিন্ন অভিধায় ভূষিত করে বদনাম করেন কিংবা সন্ত্রা"সবা//দ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ‘ফ্রি থট টুডে’ এর সম্পাদকের মতে-“প্রেসিডেন্ট বুশের মত এত ধর্মীয় প্রেসিডেন্ট আমি আগে কখনো দেখি নি। তিনি একটি ধর্মীয় মিশন নিয়ে কাজ করছেন। আপনি তার ধর্মকে তার সমরনীতি থেকে আলাদা করতে পারবেন না।” বুশের এই ‘ধর্মীয় মিশন’ কী হতে পারে আপনাদের বুঝার কথা। (ইলু"মি/নাতি ছাড়া আর কিছুই না , অন্যকোনো দিন ইলু/মিনা"তি নিয়ে লিখবো)
বুশ ইলু"মি/নাতি-ফ্রি"ম্যা/সন্স সোসাইটির সক্রিয় সদস্য। বুশ,“ফ্রি"ম্যা/সন মিশন’ নিয়ে কাজ করছেন। বলা বাহুল্য, খ্রিস্টানরা হযরত ঈসা (আ:) এর অপেক্ষা করছে আর ইহু"দীরা ঈসার পরিবর্তে মা/সীহ তথা দাজ্জা/লের অপেক্ষা করছে। সেজন্য বুশও ইহুদী/দের হক আদায় করণার্থে ‘আমি ঈসায়ী মিশনের উপর প্রতিষ্ঠিত’ বলার পরিবর্তে বলছেন ‘আমি মা"সী/হ এর মিশনের উপর প্রতিষ্ঠিত’। যার ফলে খ্রি/স্টান/রাও তার ধোকায় পড়ে ইহু/দীদের সাহায্যকারী হয়ে গেছে।
এই আলোচনার আলোকে আমরা বলতে পারি, তার এই খোদা হলেন, ইব/লিস। ইবলি/স ই তাকে সরাসরি নির্দেশনা দিত। কিংবা দা"জ্জা/ল কোন একটা জায়গা থেকে সরাসরি বুশ ও তার মতো কাফের নেতাদের নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে।
দাজ্জালের কথা এজন্য বলা হল কারন, খ্রিষ্টা/ন"দের একটা উপদলের দৃষ্টিভঙ্গী হলো, জনসম্মুখে আত্মপ্রকাশের আগে দা/জ্জা"ল নিজের জন্য পরিবেশ তৈরি করবে এবং বিরুদ্ধবাদী শক্তিগুলোকে তার এজেন্টদের মাধ্যমে ধ্বংস করাবে।
হাদিসে বলা হয়েছে, “কুস্তন্তনিয়ার (ইস্তাম্বুল) অধিবাসীরা তাদের সাহায্য করবে। নিকট অতীতে তুরস্ককে এমন এক শ্রেণীর মানুষ শাসন করছে, যারা মুসলমানদের তুলনায় কাফের প্রতি বেশী আন্তরিক। আর এমনও হতে পারে যে, অদূর ভবিষ্যৎতে এই অঞ্চলটি পুরোপুরি কাফেরদের কব্জায় চলে যাবে।”
চলবে,,,,,, ইনশাআল্লাহ।
কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।
0 Comments