Header Ads Widget

Responsive Advertisement

কবর আযাব আছে তো? না কি?


 কবর আযাব আছে তো? না কি?

কবরে কতো বছর আযাব দেয়া হবে?কারণ, "আদম" ও "নূহ" এর সময় যারা মারা গেছে তারা হাজার হাজার বছর শাস্তি ভোগ করবে,আর যারা কিয়ামতের ১ মাস আগে মারা যাবে তারা ১ মাস শাস্তি ভোগ করবে এ কেমন অবিচার?আল্লাহ বলেছেন তিনি মানুষের প্রতি অবিচার করেন না,জুলুমও করেন না।তাহলে আল্লাহ কি অবিচারকারী?যদি ভাবী সকলের শাস্তি সমান করে দেয়া হবে তাহলে প্রশ্ন জাগেঃকিভাবে সমান হবে?এটা কি আমাদের মনগড়া কথা?দলীল কি?

অাল্লাহ বলেন:-"তোমরা তোমাদের দলীল পেশ করো"।সুরা বাক্বারা আয়াত ১১১।আল্লাহ আরও বলেছেন "এই ক্বুরআন মানবজাতির জন্য সুস্পষ্ট দলীল"-সুরা জাসিয়া আয়াত ২০।

কিয়ামাতের ১ মাস আগের মৃত ব্যক্তির শাস্তির ১ মাস পরেই তো কিয়ামত হবে তাহলে সমান করার সময় কোথায়?আল্লাহ কি বলেছেন যে,আমি সকলের শাস্তি সমান করে দেবো?প্রমাণ কি?এ কথা কোন আয়াতে বলা হয়েছে?যারা প্রমাণ ছাড়া কবরের আযাব বিশ্বাস করে তারা মুখে মুখে কোরআন মানলেও মূলোতো তারা কোরআনের আয়াত বাদ দিয়ে নিজেদের বিচার বুদ্ধি প্রয়োগ করে থাকে।যে আযাবের নাম গন্ধও কোরানে নাই সে বিষয় আলোচনা করাও উচিৎ না।কারণ,কোরানে আল্লাহ কবরের আযাব বিষয়ক একটি আয়াতও নাজিল করেননি।

বারযাখ:-মানুষের মৃত্যুর পর কিয়ামতের আগ পর্যন্ত এই সময়টিকে বারযাখ/অন্তরায়/অন্তরাল/ আড়াল/দেয়াল/প্রাচীর/পর্দা/বা বারঝাখের জীবন বা কবরের জীবন বলা হয়।মৃত্যুর আগে মানুষ জীবিত থাকে এবং কিয়ামতের সময় মানুষ পুনরায় জীবিত হবে এর আগে কেউ জীবিতো নয়।কাজেই "বারযাখ" এর সাথে "জীবন" বলাটা সম্পূর্ণ ভুল।মানুষের মৃত্যুর পর সেই বারঝাখ বা অন্তরায় সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:"-যেদিন তাদেরকে পুনরায় উঠানো হবে সেদিন পর্যন্ত তাদের সামনে থাকবে বারঝাখ/অন্তরায়/অন্তরাল/পর্দা"।সুরা মু'মিনূন আয়াত ১০০। চলবে…………….. ইনশাআল্লাহ

Post a Comment

0 Comments

 🔴 শিম্পাজী কখনও কী বিবর্তন প্রক্রিয়ায় মানুষ হতে পারবে ?