ভাল-মন্দ, রাত-দিন, সাদা-কালো, আকাশ-মাটি,
স্ত্রী-পুরষ, গরম-ঠান্ডা...ইত্যাদি'র মত মহাবিশ্বে মেটার-এন্টিমেটার কিংবা কণা-প্রতিকণার ন্যায় অনেক বিপরীত ঘটণা বিজ্ঞানীরা-সৃষ্টিপ্রকৃতির মধ্যে
আবিষ্কার করে চলেছেন।
🔴 যদিও পরকালের মত ধারণা সম্পর্কে বিজ্ঞানের জ্ঞান-ধারণা এখনো বহুদুর।
William Schuster, ১৮৯৮ সালে Antimatter শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
তিনিই প্রথম প্রতিপরমাণু ও প্রতিপদার্থ সৌরজগৎ প্রকল্প(Hypothesis) ব্যখ্যা করেন।
তিনি বলেন-- এতে পদার্থ ও প্রতিপদার্থ পরস্পরের সাথে মিলে ধ্বংস হয়ে যায়।
তবে Schuster এর এই প্রকল্পও তার পূর্বানুসারীদের মতো অনুমান এই সীমাবদ্ধ ছিল।
পূর্ববর্তী ধারণাগুলোর মতোই এই প্রকল্পতেও কণার ঋনাত্নক মাধ্যাকর্ষণ রয়েছে বলে মেনে নেওয়া হয়েছে, যা বর্তমান মডেলে নেই।
প্রতিপদার্থের (Antimatter) আধুনিক তত্ত্বের প্রচলন ঘটে ১৯২৮ সালে, Paul Dirac ও তার গবেষণাপত্রের হাত ধরে।
ডিরাক (Dirac) বুঝতে পেরেছিলেন যে--তার প্রণীত Schrödinger তরঙ্গ সমীকরণে আপেক্ষিক রূপ ইলেকট্রন এর জন্য প্রয়োগ করা হলে তা প্রতি ইলেকট্রন থাকার সম্ভাবনা প্রকাশ করে।
এই প্রতি ইলেকট্রন (Anti Electron) ১৯৩২ সালে Carl D. Anderson কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়, যার নাম দেওয়া হয়--পজিট্রন(Positron), যা দুইটি ইংরেজি শব্দ Positive Electron এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
যদিও Dirac নিজে Antimatter শব্দটি ব্যবহার করেননি, কিন্তু Anti-proton,Anti-electron শব্দগুলোর ব্যবহার শুরু হয়ে যায়।
Charles Janet ১৯২৯ সালে প্রতিপদার্থগুলোর একটি সম্পূর্ণ পর্যায় সারণি তৈরি করেন।
★The Feynman–Stueckelberg interpretation অনুযায়ী প্রতিপদার্থ ও প্রতিকণা সাধারণ কণার মতই। তবে এরা সময় তলের (Time Dimension) সাথে বিপরীত দিকে যাত্রা করে।★
🌐 ইহকালের বিপরীত পরকালের কথায় এখানে বিমূর্ত হয়েে উঠে। 🌐
🔴 কণা পদার্থবিজ্ঞানে প্রতিকণার ধারণা প্রতিপদার্থের ধারণা রুপ নিয়েছে।
ধারণা করা হয়েছে--যেভাবে কণা দ্বারা পদার্থ গঠিত হয়, ঠিক তেমনিভাবে প্রতিকণা দ্বারা প্রতিপদার্থ গঠিত হয়।
উদাহরণস্বরূপ--একটি প্রতি-ইলেকট্রন (Positron) এবং একটি প্রতি-প্রোটন মিলিত হয়ে গঠণ করে একটি প্রতি-হাইড্রোজেন পরমাণু, যেমন করে একটি ইলকট্রন ও প্রোটন মিলে তৈরি করে একটি হাইড্রোজেন পরমাণু।
উপরন্তু, কণা এবং প্রতিকণা মিলিত হলে যেভাবে পূর্ণবিলয়ের মাধ্যমে সকল শক্তি বিমুক্ত হয়, তেমনি পদার্থ এবং প্রতি-পদার্থের মিলনে পূর্ণবিলয়ের সৃষ্টি হয় বলে ধারণা করা হয়েছে।
এ ধরনের পূর্ণবিলয়ের ফলে প্রকৃতপক্ষে উচ্চ শক্তির ফোটন (গামা রশ্মি) এবং বহু কণা-প্রতিকণা জোঁড়ার সৃষ্টি হয়।
এই পূর্ণবিলয়ে বিমুক্ত কণাগুলোর মধ্যে বিপুল পরিমাণ শক্তি থাকে।
এই শক্তির মান পূর্ণবিলয়ের ফলে সৃষ্ট বস্তুসমূহের নিশ্চল ভর এবং মূল পদার্থ-প্রতিপদার্থ জোঁড়ার অন্তর্ভুক্ত বস্তুসমূহের নিশ্চল ভরের পার্থক্যের সমান।
★★★★★
কোরআন বলে-- 36:36
পবিত্র ও মহান সে সত্তা যিনি সকল জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছেন, যমীন যা উৎপন্ন করেছে তা থেকে, মানুষের নিজদের মধ্য থেকে এবং সে সব কিছু থেকেও যা তারা জানে না ।
0 Comments