Header Ads Widget

Responsive Advertisement

Road to Reset....


Road to Reset

_____________

মানবসভ্যতায় রিসেট নতুন কোনো কিছু নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত কারণে হোক, কিংবা বিশেষ মূল্যবোধ বহনকারী সাম্রাজ্যের পতনই হোক, রিসেট হয়ে এসেছে। রিসেট বলতে মানবসমাজে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ সর্বস্তরের মূল্যবোধের সামগ্রিক পরিবর্তনকে বুঝায়। প্রাচীন রিসেটগুলো ছিল বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের অবশ্যম্ভাবী ফলাফল। উদাহরণস্বরূপ প্যাগান রোমান সাম্রাজ্য তৎকালীন মুসলিমদের শিক্ষা গ্রহণের ফলে গোটা ইউরোপ এমন এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় যার প্রভাব আজও বিদ্যমান। এ ধরণের রিসেটে কোনো কারচুপি ছিল না। সম্ভবত সব থেকে জঘন্যভাবে রিসেট সূচনা হয় রেনেসার বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে। পরাজিতদের ইতিহাস লেখে বিজয়ীরা। এ জন্য কতোটুকু সহীহ এই ইতিহাস সে বিতর্কে যাচ্ছি না।


উপনিবেশী শক্তিগুলো সারা বিশ্বে শক্ত করে গেড়ে বসার মাধ্যমে নতুন রিসেটের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়। এ ঝড়ো যুগটাতে প্রত্যেক শোষিত অঞ্চলে ব্রেইনওয়াশ, প্রতারণা ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা হয়, শিক্ষাপ্রসারের নামে পূর্বের প্রকৃত শিক্ষাকে বর্বরভাবে মুছে ফেলা হয়, আঞ্চলিক ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রহসন চালানো হয় এবং আরো কতো কী। দুশো বছরে পূর্ব-উপনিবেশী যুগের মূল্যবোধ নতুন এই পৃথিবীতে অচ্ছুৎ হয়ে যায়। কাটা গায়ে লবণের ছিটা হিসেবে আঞ্চলিক সংস্কৃতি রক্ষার নামে সীমিত আকারে নতুনরূপী সংস্কৃতির চর্চায় উৎসাহ দেওয়া হয়। যখন এ রিসেটের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হলো, তারপর প্রতিষ্ঠা করা হলো জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে সীমানাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। শুরু হলো নব্য-উপনিবেশবাদের যুগ। হাজার বছর ধরে অবিচ্ছিন্ন মানবসমাজের মাঝে মিথ্যা সীমানা দিয়ে অর্থহীন রক্তপিপাসায় জড়ানো হলো, অখণ্ড ভূখণ্ডকে সামান্য অযুহাতে ভাগ করে রাষ্ট্র প্রতি প্রাকৃতিক সম্পদের ভাগকে সীমিত করা হলো এবং উস্কিয়ে দেওয়া হলো বেচে থাকার জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে কাড়াকাড়ি। প্রতিটা শিশু রাষ্ট্রে এমন সব শাসকদের ক্ষমতায় বসানো হলো যারা দেখতে যার যার অঞ্চলের অধিবাসীদের মতো হলেও মনস্তাত্ত্বিকভাবে একজন দাস বৈ কিছু নয়। হয় এরা নিজেদের সম্প্রদায়কে খঞ্জরবিদ্ধ করে ক্ষমতায় আসীন হয়েছে, অথবা এদেরকে তাদের প্রভুরা তাদের জন্য শাসনক্ষমতা ধার্য করেছে। যেটিই হোক না কেন, একটি গূরুত্বপূর্ণ দিক ছিল যা উভয়ক্ষেত্রেই বিদ্যমান- এদের অধিকাংশই স্থানীয় জনগণের সমর্থন থেকে বঞ্চিত ছিল। শাসকশ্রেণী নিজেদের লুফে পাওয়া ক্ষমতাকে নিজ সম্প্রদায় থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী এবং জাতিরাষ্ট্রের ফলে বাহ্যিক শত্রু রাষ্ট্র থেকে রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে কোনো না কোনো পরাশক্তির স্যাটেলাইট রাষ্ট্র হওয়ার পরিণতি বরণ করতো। যার যার পরাশক্তি প্রভুগণের নির্দেশ মোতাবেক নিজ নিজ রাষ্ট্রের মূল্যবোধ পরিবর্তনের বাকি কাজ সম্পন্ন হতে থাকলো। এরই মাঝে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চলমান রিসেটের সব থেকে কৌশলগত ধাপ সম্পন্ন হলো। মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর ভেটো ক্ষমতা প্রাপ্তি আশ্চর্যের কিছু নয় বরং অবশ্যম্ভাবীই। এখন তৃতীয় বিশ্বের প্রত্যেক রাষ্ট্র জন্মগতভাবেই নিও ওয়ার্ল্ড অর্ডারের বেটা ভার্সনের কাছে দায়বদ্ধ, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, শিক্ষাগত, রাষ্ট্রীয়। এছাড়া টিকে থাকার জন্য কোনো না কোনো পরাশক্তিকে প্রভু হিসেবে বরণ করে নেওয়া তো চলমান ছিলই। এ অবস্থায় এসে জাতিসংঘের মাধ্যমে নতুন মূল্যবোধ প্রত্যেক দেশে প্রতিষ্ঠা করা নিশ্চিত করা হয়, প্রয়োজনে আগ্রাসী পন্থায়। হঠাৎ খুব দ্রুত মানবসভ্যতায় আমূল পরিবর্তন আসলো, নারীকে মা স্ত্রী বোনের স্তর থেকে নামিয়ে পরিসংখ্যানে কয়েকটা নাম্বারের বৃদ্ধির লোভ দেখিয়ে রাস্তায় নামানো হলো, পুরুষকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার লোভ দেখিয়ে ব্যবসা ও কৃষিকাজের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রদর্শন করিয়ে পূজিপতিদের অধীনে মজুরী দাসত্বে (wage slavery) জড়িয়ে ইদূর প্রতিযোগিতায় নাম লেখাতে বলা হলো, পরিবার কাঠামোকে পরিবর্তন করতে বাধ্য করলো, অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন হলো, মানব শোষণের অস্ত্র সুদ সমাজে আবশ্যকতা পেলো, গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড ত্যাগ করে কাগজে মুদ্রা প্রতিষ্ঠিত হলো, নিয়ন্ত্রিত সংকটের জন্ম নিলো, নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত যুদ্ধ দুর্ভিক্ষ মুদ্রাস্ফীতি বিদ্রোহ হলো, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কথা উঠলো, জোরপূর্বক বন্ধ্যাত্বকরণ ও দারিদ্র্যতার সুযোগ নিয়ে সামান্য কটা অর্থের বিনিময়ে নারীপুরুষের প্রজননক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হলো। নিয়ন্ত্রিত সংকট সৃষ্টি অতঃপর পূর্বনির্ধারিত সমাধান চাপিয়ে দেওয়ার যুগের সূচনা হলো। এতোদিনের প্রচেষ্টায় মানবসভ্যতা তার পূর্বের মূল্যবোধ সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে ফেলেছে, শুধু হারিয়েই ক্ষান্ত হয়নি বরং কিভাবে ঘৃণা করতে হয় তাও আয়ত্ত্বে এনেছে। অতএব এবার রিসেটের সর্বশেষ ধাপ সম্পন্ন করা যেতে পারে।


আমরা কয়েকশো বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ও পরিকল্পিতভাবে চলে আসা রিসেটের শেষ ধাপের সাক্ষী হচ্ছি। পরিকল্পিত সংকটকে পুজি করে পুর্বনির্ধারিত সমাধান বিশ্বমোড়লরা সামনে নিয়ে আসছে।


♦পরিকল্পিত প্যান্ডেমিক♦


• World Integrated Trade Solution (WITS) বিভিন্ন দেশের আমদানী রপ্তানীর লগ রাখে। ২০১৭-২০১৮ তে কোভিড-১৯ টেস্ট কিট বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্র আমদানী করেছে। কয়েক কোটি কিট। তারা ঠিকই কোভিড-"১৯" নাম দিয়েছে। তথ্যটা ২০২০ এর ৫ই সেপ্টেম্বরে আবিষ্কার হয়। তারপরেই উইটস কোভিড১৯ কিট নামটা চেঞ্জ করে ফেলে। তবে সাইটটি আর্কাইভ করা আছে। লিংক- https://web.archive.org/web/20200905210427if_/https://wits.worldbank.org/trade/comtrade/en/country/ALL/year/2017/tradeflow/Imports/partner/WLD/nomen/h5/product/300215


• অ্যান্থনি ফসি, আমেরিকান প্রেসিডেন্টের চীফ মেডিকেল উপদেষ্টা, ২০১৭ সালে দুই বছরের মধ্যে আসন্ন “সারপ্রাইজ আউটব্রেক” এর নিশ্চিতভাবে জানায়। 'In the next two years there will be a SURPRISE OUTBREAK. There's NO DOUBT in anyone's mind about this.'।

সোর্স: https://youtu.be/DNXGAxGJgQI


• আবার একই বছরেই(২০১৭) বিল এন্ড মেলেন্ডা গেটস বলে সামনের বছরগুলোতে একটা প্যান্ডেমিক আসছে। https://www.businessinsider.co.za/bill-gates-warns-the-next-pandemic-disease-is-coming-2018-4?r=US&IR=T https://www.businessinsider.com/pandemic-risk-to-humanity-2017-9?utm_source=intl&utm_medium=ingest


• ২০১৪ সালে একজন সাংবাদিক হ্যারি ভক্স, আসন্ন প্ল্যান্ডেমিকের ব্যাপারে সাবধান করে বলে 'The plan is to get hundreds of thousands of people infected with it and

 create the next phase of control.'।

https://youtu.be/wuOxG-rnj30


• রকফেলার ফাউন্ডেশনের একটি ডকুমেন্টে “লকস্টেপ” নামক এক চ্যাপ্টারে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে “অ্যাকিউরেটলি” বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। ডকুমেন্টটার নাম 'Scenario for the Future of Technology and International Development', ২০১০ সালে পাবলিশড। লিংক- https://www.stopworldcontrol.com/downloads/rockefeller-scenario.pdf


♦ ভ্যাক্সিন এজেন্ডা♦


• বিল গেটস গ্লোবাল মনিটরিং সিস্টেম চায়। https://www.theverge.com/2020/4/23/21232782/bill-gates-coronavirus-contact-tracing-interviewers-database-analysis


• মানুষকে কন্ট্রোলে রাখার জন্য ডিজিটাল আইডিতে ভ্যাক্সিনের যুক্তকরণ- https://www.biometricupdate.com/201909/id2020-and-partners-launch-program-to-provide-digital-id-with-vaccines।

 

 ইন্টারেস্টিংলি এই টেকনোলজিটা বিল গেটস বহু আগেই প্যাটেন্ট করে রেখেছে, নাম WO 060606। একজন বিলিয়নিয়ার বিনা কারণে কোনো কিছু প্যাটেন্ট করে রাখে না। https://patentscope.wipo.int/search/en/detail.jsf?docId=WO2020060606


• বিগ ফার্মা (ফাইজার, অ্যামজেন, জনসন & জনসনসহ জায়ান্ট ওষুধ শিল্পের কোম্পানিগুলোর জোট, এদের রাজনৈতিক ক্ষমতা আছে) এবং বিগ টেক/বিগ ফাইভ (গুগোল, অ্যাপল, ফেসবুক, অ্যামাজন, মাইক্রোসফটের জোট) এরা প্রকাশ্যেই মানুষকে কন্ট্রোল ও ডিস্টোপিক সার্ভেইল্যান্সের কথা বলে আসছে। ২০১৫ তে রিচার্ড রথসচাইল্ড কোভিড-১৯ টেস্টের মেথড উদ্ভাবন করে। এই মেথডে মানুষের সকল ডেটা ক্লাউডে পাঠাতে হবে। সোজা কথায় মনিটর করা যাবে। এটা কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নয় যে কাজটি বিগ টেক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। লিংক- https://patents.justia.com/inventor/richard-a-rothschild


• বিখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থনি প্যাচ ২০১৪ এর এক ইন্টার্ভিউতে সে করোনা ভাইরাস ও এর ভ্যাক্সিনের ডিএনএ পরিবর্তনের ক্ষমতা নিয়ে অনেক কিছু বলে। ‘They will release a man-made coronavirus. As a result the people will demand a vaccine to protect them. This vaccine will add a third strain of DNA to a persons body, essentially making them a hybrid. Once a person is injected, almost immediately their DNA undergoes a transformation. This genetic change will cause people to lose the ability to think for themselves, without them even being aware this happened. Thus they can be controlled more easily, to become slaves for the elite.'

 https://youtu.be/gA6FR4kj5G0

আরো দুজন জার্নালিস্টের ফাস করা প্ল্যান - https://www.youtube.com/watch?v=7cSy64A7TVo

https://www.youtube.com/watch?v=wuOxG-rnj30

ভ্যাক্সিনের ডিএনএ পরিবর্তনের ক্ষমতা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ রয়েছে। তবে এটাও বিবেচনা করা দরকার ভ্যাক্সিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জেনেটিক মিউটিলেশনের ক্ষেত্রে অগ্রগামী।


• ড. ক্যারি ম্যাডেজ জর্জিয়ার একজন বিজ্ঞানী, যিনি ডিএনএ ও ভ্যাক্সিন নিয়ে ২০ বছর ধরে স্টাডি করছে। বিশ্বের অন্যান্য করপোরেট প্রভাবমুক্ত ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো তিনিও করোনা ভ্যাক্সিন নিয়ে সকলকে সতর্কবার্তা দেন। সংক্ষেপে করোনা ভ্যাক্সিন মানুষের ডিএনএ চেঞ্জ এবং ন্যাচারাল কগ্নিশন অ্যাবিলিটি হ্রাসের ব্যাপারে আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। https://stopworldcontrol.wetransfer.com/downloads/455d15404e261a94ab4381ecb58603bd20210525041054/ca8d19

ভ্যাক্সিন আইডির মাধ্যমে মানুষের ওপর অনৈতিক নজরদারী চালানোর প্রসঙ্গটিও তিনি যুক্ত করেছেন।


• ভ্যাক্সিন ড্যামেজ নিয়ে শক্তিশালী ডকুমেন্টারি https://www.vaxxed2.com/


• সাধারণত যে মেথডে ভ্যাক্সিন বানানো হয় তা ভরসাযোগ্য পর্যায়ে যেতে ৫-১০ বছর সময় নেয়। https://www.weforum.org/agenda/2020/06/vaccine-development-barriers-coronavirus/

 অপরদিকে mRNA ভ্যাক্সিন মেথড নবাগত ও অপরীক্ষিত। এগুলোর সাইড ইফেক্টও বিতর্কিত। http://www.uphs.upenn.edu/cep/COVID/mRNA%20vaccine%20review%20final.pdf


• ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও আবার করোনা হতে পারে- https://www.forbes.com/sites/brucelee/2021/01/31/why-you-can-still-test-positive-for-coronavirus-after-covid-19-vaccination/?sh=161223bb64e2

 জায়োনিস্ট রাষ্ট্রে ফাইজারের ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও ১২ হাজার জন করোনাক্রান্ত। https://www.youtube.com/watch?v=fo9htB_kXxA


♦ গ্রেট রিসেট ♦


• সিক্রেট সোসাইটি নিয়ে সিআইএ ইন্টেলিজেন্স অফিসার কর্তৃক লিখিত এক ডকুমেন্টে, “‘At least 4 billion 'useless eaters' shall be eliminated by the year 2050 by means of limited wars, organized epidemics of fatal rapid acting diseases and starvation.’ https://www.cia.gov/library/abbottabad-compound/4A/4A92FD2FB4DAE3F773DB0B7742CF0F65_Coleman.-.CONSPIRATORS.HIERARCHY.-.THE.STORY.OF.THE.COMMITTEE.OF.300.R.pdf

https://en.wikipedia.org/wiki/Georgia_Guidestones


• বিল গেটস নিজের মুখে বলেছে জনসংখ্যা কমিয়ে ১৫% এ আনতে চায়। https://www.youtube.com/watch?v=WUJMR3BUm2s&feature=emb_logo


• বিল গেটস বিল্ডারবার্গ নামক সিক্রেট সোসাইটির সদস্য। https://nl.wikipedia.org/wiki/Bilderbergconferentie

https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_Bilderberg_participants


• রকফেলার ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত প্যান্ডেমিকের দোহাই দিয়ে বিশ্বে প্রভাব বিস্তারের ম্যানুয়াল: https://www.rockefellerfoundation.org/wp-content/uploads/2020/04/TheRockefellerFoundation_WhitePaper_Covid19_4_22_2020.pdf


• ১১ আগস্ট ২০১৭তে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম RFID ইমপ্ল্যান্ট নিয়ে পাবলিশ করে- https://www.weforum.org/agenda/2017/08/microchip-in-your-hand-rfid-32m/


• ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এক ইন্টারভিউতে বলে দশ বছরের মাঝেই আমরা চিপ ইমপ্ল্যান্ট দেখতে পারবো- https://youtu.be/UmQNA0HL1pw


• ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পাবলিশকৃত শর্ট প্রোপাগান্ডা ফিল্মে ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলুশন ও সাইবর্গ এজেন্ডা কাব্যিকভাবে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। ১:২৫ থেকে ১:৪৪ - “আমরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রাথমিক স্তরে রয়েছি যা ডিজিটাল, ফিজিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সিস্টেমকে একত্রে নিয়ে আসছে।… WEF এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি আমরা যা করছি তা পরিবর্তন করে না, এটি আমাদেরকে পরিবর্তন করে।” অতঃপর এরপরেই ব্রেইনে সাইবারনেটিক ইমপ্ল্যান্টের প্রসঙ্গ আনা হয়। বাকি অংশে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ব্যাপারে দেখানো হয়। https://youtu.be/kpW9JcWxKq0


• ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ভ্যারিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করা হয়, “You’ll own nothing and you’ll be happy”। তাদের প্রকাশিত শর্ট ভিডিওতেও উপরোক্ত বাক্যটি ছিল। পরবর্তীতে তীব্র সমালোচনার কারণে টুইটটি রিমুভ করে এবং এলিটদের পালিত মিডিয়াগুলো ফ্যাক্ট চেকের নামে পুরো ঘটনাটিকেই উড়িয়ে দেয়। তবে ফুটপ্রিন্ট এখনও রয়ে গিয়েছে। https://youtu.be/DySwUhXSX04

WEF এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে এটা এখনও আছে- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10154159674886479&id=7746841478&m_entstream_source=video_home&player_suborigin=entry_point&player_format=permalink


• ওয়ার্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রেট রিসেট সম্পর্কিত সাইটে এ রিসেট সম্পর্কে স্পষ্টভাবে লেখা।। https://www.weforum.org/great-reset/

WEF এর ফাউন্ডার ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ক্লসের ভাষা, “The pandemic represents a rare but narrow window of opportunity to reflect, reimagine and reset our world.”- https://www.weforum.org/agenda/2020/06/now-is-the-time-for-a-great-reset/


_________


মানবদেহে ইলেক্ট্রিক চিপ অথবা এলন মাস্কের নিউরোলিংক, এই ধারার টেকনোলজির মূলধারাকরণ ও সাধারণ মানুষদের কাছে নরমালাইজ করা, এগুলো কাকতালীয় নয়। এলন মাস্কের মুখে শুনুন নিউরোলিংক মানুষের মেমরীর ওপর প্রভাব ফেলার পর্যায়ে চলে যেতে পারে- https://youtu.be/CLUWDLKAF1M (12:25 মিনিটে)

রে কুর্জওয়েল একজন বিখ্যাত ফিউচারিস্ট যিনি নিকট ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ব্রেকথ্রু নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য বিখ্যাত। তার বইগুলো পড়ে দেখতে পারেন আরো স্বচ্ছ ধারণার জন্য। টাইসনের সাথে ইন্টারভিউতে ২০৩০ এর মাঝে মানুষ ক্লাউডের সাথে ব্রেইন যুক্ত করতে পারবে বলে নিশ্চয়তা দেয়। ৪:০০ মিনিট থেকে দেখুন: https://youtu.be/EyFYFjESkWU

সারা বিশ্বে ৫জি বাস্তবায়নে তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে এরকম পরিস্থিতি ও বিতর্ক সত্ত্বেও। এদিকে স্টার লিংক অন্য সাধারণ স্যাটেলাইট থেকে দ্রুত ডেটা ম্যানেজ করতে পারে। https://www.starlink.com/


প্ল্যান্ডেমিকটি সাজানো হয়েছে স্বল্প সময়ে গ্রেট রিসেট তথা নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বাস্তবায়নের জন্য। অঞ্চলভেদে এ পরিকল্পনার সাফল্য ভ্যারি করে। ম্যান্ডাটরি ভ্যাক্সিন, ভ্যাক্সিন না দিলে বেসিক সার্ভিস থেকে বঞ্চিতকরণ, অতি দ্রুততার সাথে ৫জি রোলআউট, ব্রেইনে সাইবারনেটিক ইমপ্ল্যান্টে ব্রেকথ্রু, স্টারলিংক, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ইলেক্ট্রিক বাহন, এগুলো সবই মানুষকে কন্ট্রোলের উপাদান। চিকিৎসা নিতে চাইলে আপনাকে ভ্যাক্সিনেটেড হতে হবে, ভ্যাক্সিনেটেড হওয়ার অর্থ প্রাইভেসিকে না বলতে হবে। চিপ ইমপ্লেমেন্টের পর সার্ভারের সাথে কানেক্টেড হতে হলে ৫জি দরকার। আপনি স্বাধীনভাবে কোথাও যেতে পারবেন না ইলেক্ট্রিক কারের কারণে। আপনি কোথায় কোথায় যেতে পারবেন তাও নিয়ন্ত্রণের মাঝে আনা হবে। এ যেন ঠিক অরওয়েলিয়ান বিশ্বব্যবস্থা। গ্রেট রিসেট সম্পন্ন হতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বেশ কিছু পরিবর্তন দরকার। পূর্বপরিকল্পনানুসারে সৃষ্ট বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের দোহাইয়ে গ্রেট রিসেটের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপসমূহ বাস্তবায়ন করার পথে বিশ্বমোড়ল সংস্থাগুলো এগিয়ে যাচ্ছে। সম্ভাব্য চিত্র হলো: সোশ্যাল ক্রেডিটের মতো সিস্টেম যা বডির মাইক্রোচিপ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত, সার্বক্ষণিক সার্ভেইল্যান্স, স্টেট নিয়ন্ত্রিত ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন, বিকৃত পুনর্লিখিত ইতিহাস, সেন্সরড বইপত্র এবং সর্বোপরি ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউনিফায়েড গভর্নমেন্ট।

এই গতিতে যদি চলতে থাকে তবে এই দশকেই ফলস ফ্ল্যাগ এলিয়েন ইনভ্যাসন ঘটলেও আশ্চর্য হবো না।

Post a Comment

0 Comments

 🔴 শিম্পাজী কখনও কী বিবর্তন প্রক্রিয়ায় মানুষ হতে পারবে ?